চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে গরুর খামারে সংঘটিত এক দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় লুণ্ঠিত ৪টি গরু ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি হাইস মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী মহিউদ্দীন (৪৪) গত ২৫ এপ্রিল চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল গভীর রাতে চান্দগাঁও থানার শমসের পাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে, রেললাইনের পূর্বদিকে অবস্থিত একটি গরুর খামারে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়।
ডাকাতরা কৌশলে খামারের পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সেখানে ঘুমিয়ে থাকা কর্মচারী মো. সালাউদ্দিনকে গামছা ও রশি দিয়ে হাত-পা, চোখ ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে জিম্মি করে খামার থেকে ২টি গাভী ও ২টি বাছুর, যার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, এবং তার ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ডাকাতরা লুণ্ঠিত গরু একটি সিলভার রঙের হাইস মাইক্রোবাসে তুলে দ্রুত বহদ্দারহাটের দিকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নূর হোসেন মামুনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। টিমে এসআই নূরে আলম, এসআই মো. নাজমুল হুদা, এসআই অরুণ কুমার চাকমা, এএসআই মো. শাহ আলম এবং এএসআই অসিত নাথ অংশ নেন।
অভিযানের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সিলভার রঙের হাইস গাড়িটি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া ও ঈদগাঁও থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের তিন সদস্য—সেলিম ওরফে সেনাম (৩৫), আমান উদ্দিন (৩৮) ও মো. আব্দুল হামিদ (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত ২টি গাভী ও ২টি বাছুর উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
| ফজর | ৪:৩৮ - ৫:৫৩ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৩৮- ২:৫২ দুপুর |
| আছর | ২:৫৩ - ৫:১৮ বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৯-৬:৩৪ সন্ধ্যা |
| এশা | ৬:৩৫-৪:৩৭ রাত |
| জুম্মা | ১১:৩৮-২:৫২ দুপুর |